দৈন��ক আমার পত্র
জাতীয়১০ মে, ২০২৬ | রাত ১২:৩৭পড়তে সময়: ৩ মিনিট

একই দিনে বিশ্বজুড়ে রোজা ও ঈদ পালনের দাবি শরিয়াহবিরোধী: বায়তুল মোকাররমের খতিব

চাঁদ দেখা পদ্ধতি ও চন্দ্রমাস শুরুর মানদণ্ড উপেক্ষা করে বৈশ্বিক একক ঈদ পালনের দাবি শরিয়াহবিরোধী, জ্যোতির্বিজ্ঞানভিত্তিক ক্যালেন্ডার গ্রহণযোগ্য নয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার:FacebookWhatsAppX
একই দিনে বিশ্বজুড়ে রোজা ও ঈদ পালনের দাবি শরিয়াহবিরোধী: বায়তুল মোকাররমের খতিব
একই দিনে বিশ্বজুড়ে রোজা ও ঈদ পালনের দাবি শরিয়াহসম্মত নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ–এর খতিব মুফতি আবদুল মালেক। তিনি বলেন, ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী চাঁদ দেখা বা নির্ভরযোগ্য সাক্ষ্যের ভিত্তিতেই চন্দ্রমাস নির্ধারণ করতে হয়, এ বিধান উপেক্ষা করে এককভাবে পুরো বিশ্বের জন্য একই দিন নির্ধারণ করা গ্রহণযোগ্য নয়।

শনিবার (৯ মে) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ মিলনায়তনে ‘রোজা ও ঈদ বিশ্বব্যাপী একই দিনে পালনের দাবির ভ্রান্তি নিরসন ও শরিয়াহ বিশ্লেষণ’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মুফতি আবদুল মালেক বলেন, একই দিনে সারা বিশ্বে রোজা ও ঈদ পালনের ধারণা কোনো দলিলভিত্তিক বিষয় নয় এবং বাস্তবতার দিক থেকেও এটি অসম্ভব। ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী চন্দ্রমাস শুরু হওয়ার নির্ধারিত মানদণ্ড হলো হেলাল দেখা অথবা নির্ভরযোগ্য সাক্ষ্য গ্রহণ। এ দুইয়ের কোনোটি পাওয়া না গেলে মাস ত্রিশ দিন পূর্ণ করতে হয়।

তিনি বলেন, এই বিধান উপেক্ষা করে অমাবস্যাকে ভিত্তি ধরে মাস গণনা শুরু করা শরিয়াহ পরিবর্তনের শামিল। একইভাবে জ্যোতির্বিজ্ঞানভিত্তিক আগাম প্রস্তুতকৃত হিজরি ক্যালেন্ডারকে চূড়ান্ত মানদণ্ড হিসেবে গ্রহণ করাও শরিয়াহসম্মত নয়।

বায়তুল মোকাররমের খতিব আরও বলেন, মুসলমানদের ঈদ কেবল সামাজিক উৎসব নয় বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। তাই একে অন্য ধর্ম বা সংস্কৃতির উৎসবের মতো করে দেখার সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী একই দিনে রোজা ও ঈদ পালনের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া দলিলসম্মত নয় এবং এটি মুসলিম উম্মাহর প্রচলিত ঐক্যমতের বিরোধী। নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চলের চাঁদ দেখা অন্য অঞ্চলের ওপর প্রযোজ্য করার ধারণাও শরিয়াহর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

মুফতি আবদুল মালেক বলেন, শরিয়াহগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতামত বাধ্যতামূলক নয়। অতীতেও মুসলিম জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বিশ্বব্যাপী একই দিনে রোজা ও ঈদ পালনের পক্ষে ছিলেন না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত চাঁদ দেখা পদ্ধতি দেশের অধিকাংশ আলেমের সমর্থনপুষ্ট। তাই এতে পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। এ ধরনের পরিবর্তন সমাজে বিভ্রান্তি ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

বায়তুল মোকাররমের খতিব বলেন, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি রাষ্ট্রীয়ভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। শরিয়াহগত কোনো আপত্তি না থাকলে এর সিদ্ধান্ত অনুসরণ করা মুসলমান নাগরিকদের দায়িত্ব।

সম্পর্কিত আরও খবর

ডেপুটি স্পিকারকে সতর্ক করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পিসিসিপির স্মারকলিপি
জাতীয়২১ জুন ২০২৬

ডেপুটি স্পিকারকে সতর্ক করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পিসিসিপির স্মারকলিপি

সংসদে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের প্রতিবাদ; বক্তব্য কার্যবিবরণী থেকে প্রত্যাহার ও কঠোর নীতিমালা প্রণয়নের দাবি

আহমদ বিলাল খান
পর্যটন উন্নয়নে হাবীব আজমের অনন্য ভূমিকা: রাঙ্গামাটিতে গড়ে উঠছে আধুনিক ও নিরাপদ পর্যটন ব্যবস্থা
জাতীয়৭ জুন ২০২৬

পর্যটন উন্নয়নে হাবীব আজমের অনন্য ভূমিকা: রাঙ্গামাটিতে গড়ে উঠছে আধুনিক ও নিরাপদ পর্যটন ব্যবস্থা

ঝুলন্ত সেতু, সাজেক ও শিমুলতলীতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন; পর্যটন ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হলো প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্সিং কার্যক্রম।

আহমদ বিলাল খান
শ্রীমঙ্গলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন
জাতীয়৬ জুন ২০২৬

শ্রীমঙ্গলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন

সভায় দুই মহাকবির সাহিত্য-সংস্কৃতির অনন্য অবদান তুলে ধরা হয়।

এম. মুসলিম চৌধুরী, মৌলভীবাজার
পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে বহালের দাবিতে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন
জাতীয়৩ জুন ২০২৬

পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে বহালের দাবিতে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন

জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগে প্রতিবাদ; পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে স্বপদে পুনর্বহালের দাবি।

ঝুলন দত্ত, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি
শ্রীমঙ্গলের পর্যটন বিকাশে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: আব্দুর রউফ
জাতীয়২৩ মে ২০২৬

শ্রীমঙ্গলের পর্যটন বিকাশে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: আব্দুর রউফ

আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে শ্রীমঙ্গলকে গড়ে তুলতে হারমোনি ফেস্টিভ্যাল সিজন-২ সফল আয়োজনের লক্ষ্যে জোর প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত।

এম. মুসলিম চৌধুরী, মৌলভীবাজার
জবি প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটিকে জকসুর প্রাণঢালা অভিনন্দন
জাতীয়২৩ মে ২০২৬

জবি প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটিকে জকসুর প্রাণঢালা অভিনন্দন

দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা, শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে নতুন নেতৃত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ জকসুর।

জবি প্রতিনিধি